নয়ন আহমেদ ।।
গাছের পাতা যেমন ঘন সবুজ —
এমন গণতন্ত্র চেয়েছিলেন আপনি।
পৌষের ধানখেত যেরকম সোনালি জীবনের আভাস দেয়—
কড়ে আঙুল গুনে বুঝতে পারা যায় হেলেদুলে আসছে সময়—
এমনই বাংলাদেশের রূপকল্প হেসেছিলো।
পাখি শিস দিলে বুঝতে পারি আনন্দের মুহূর্ত তৈরি হচ্ছে।
আপনি এমন বীজই ছড়াতে চেয়েছিলেন।
যেমন কৃষক দেখে তার খেত জুড়ে ফসল হাসছে
আর টুকরো – টাকরা ভবিষ্যৎ দেখা যাচ্ছে জানালা দিয়ে
কিংবা দরজার ফাঁকফোঁকর অতিক্রম করে
আর যখন রোদ উঠলেই বোঝা যায় অন্ধকারের সমাধি হচ্ছে
আর টিনের চালে যেমন বৃষ্টির মতোন ধ্বনিব্যঞ্জনা শোনা যায়
রান্নাঘরে যেমন ভাত- মাছের স্বরবর্ণ নেচে ওঠে—
বাংলাদেশ বাংলাদেশ শব্দে পূর্ণ হয়ে ওঠে আপসহীন শব্দপুঞ্জ।
এ দেশের সমার্থক শব্দ হয়ে ওঠে
খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া।
যেন এই নামে ধন্য হয় আটষট্টি হাজার গ্রাম—
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, তিস্তা, আত্রাই, সুরমা, বিষখালি—
আর মানচিত্রে ঝোলানো হৃৎপিণ্ড।
জননী আমার, আজ আছে শুধু অপদার্থ, অথর্বেরা!
তারা দেশ বোঝে না।
বোঝে না ভাষা, সংস্কৃতি ও যাপনের সমূহ বর্ণমালা।
বোঝে না মানুষের আকুতি।
তাদের লোভাতুর জিহ্বা রপ্ত করেছে কী এক স্বাদ!
বলি— ফিরে এসো ধানের পাতার মতো ছায়ার মানচিত্রে।
মা হয়ে
মায়ের মতোন দৃঢ় দৃষ্টি হয়ে আসো।
ফিরে এসো খেতের কিনারে,
আইলের পাশে
নদীর ঢেউয়ে
পলিমাটির মতো ফেরো প্রেমে।
জননী হে, সন্তান যেন দীক্ষা পায় সহজ পথের।
বাংলাদেশ হয়ে ওঠে কনিষ্ঠ আঙুলে পরা প্রেমের স্বদেশ।
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
Muktobuli | মুক্তবুলি Muktobuli is the most popular online blog to publish the rare news.
