বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ৮, ২০২৬

সাহিত্য

শেকড়মুখী রেনেসাঁর কবি শাহাদাৎ হোসেন

মাহমুদ ইউসুফ কবি শাহাদাৎ হোসেন একজন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, নাট্যকার এবং বেতার ব্যক্তিত্ব। তাঁর জন্ম ১৮৯৩ সালের আগস্ট মাসে পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসত মহকুমার অন্তর্গত পণ্ডিতপোল গ্রামে। পড়াশুনা পশ্চিমবাংলার হুগলি জেলার হুগলি কলেজিয়েট স্কুলে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত। হাড়ায়ো এম. ই. স্কুলে পাঁচ বছর শিক্ষকতাও করেন। তারপরে কলকাতায় আগমন। সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে গ্রহণ। একাধারে তিনি মাসিক সওগাত, মাসিক সহচর, দৈনিক সুলতান, …

সম্পূর্ণ পড়ুন

ছন্নছাড়া গদ্য

সৈয়দ ওয়ালিদুর রহমান ভাবছিলাম একটা কবিতা লিখব সুটবুট টাই সর্বস্ব কর্পোরেট কর্তারা যেন মুখ ফিরিয়ে টিশার্ট গ্যাবারডিন আর হাওয়াই শার্টে ফিরে আসে। ভাবছিলাম অব্যয়বিহীন একটা মিত্যব্যয়ী কবিতা লিখব যাতে দীর্ঘ বক্তৃতা ছেড়ে জনপ্রতিনিধিরা জানে ‘Brevity is the soul of wit’. এমনটা একটা কবিতা লেখার শখ অনেকদিনের যাতে স্ক্র, নাট আর কলকব্জার ঝনঝনানি হতে এক পসড়া প্রশান্তি পায় কলকারখানার কর্মী। ভাবছিলাম …

সম্পূর্ণ পড়ুন

মানুষ

হিমাদ্রী রেহান গড়ে ওঠা নগরের ক্ষয়ে যাওয়া রাত, অচেতন চেতনায় ডুবে থাকা চাঁদ ; ছয়কোনা দেয়ালের আজিব ফানুস,, গড়ে দিয়ে মরে যায় জ্যান্ত মানুষ!! রঙ মাখা মুখোশের আড়ালে মন। হৃদয়ের কাছে তবু নয়তো আপন। অভিলাষী নগরের পরিযায়ী পাখি আকাশ ছুয়েই নিজ ভুলে থাকি বিবেকের ঘুম পেলে পশুরা জাগে, নিশাচর ভাবে, কেউ দ্যাখেনা তাকে! অমাবস্যা মেঘ চুমে, জেগে থাকে রাত ; …

সম্পূর্ণ পড়ুন

বৃষ্টি

হারুন আল রাশিদ বৃষ্টি এসে সৃষ্টিকে দেয় নাড়া, বৃষ্টি এলে পাই না কাজের তাড়া, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি যখন নামে- কর্মমুখর মানুষগুলো হাত গুটিয়ে থামে। এই শহরের গুলিস্তানে বৃষ্টি নামে কাল, দেখতে পেলাম দুখিজনের বিপর্যস্ত হাল! ওসমানী উদ্যানে যে সব ছিন্নমূলের বাস, কে পরালো ওদের গলায় নিষ্ঠুরতার ফাঁস? বৃষ্টি নামে ভরদুপুরে-বৃষ্টি নামে রাতে, বৃষ্টি এসে দেয় অনেকের- ছাই ছিটিয়ে পাতে। স্বল্প পুঁজির …

সম্পূর্ণ পড়ুন

ডাকে যখন পাখি

আমিনুল ইসলাম মন বসে না ঘরে আমার ডাকে যখন পাখি বুকের ভেতর ছন্দ বাজে হারায় দূরে আঁখি। তালে তালে তাল মিলিয়ে বাতাস যখন ছোটে না বলা সব কথাগুলো কাব্য হয়ে ওঠে। তখন আমি আপন মনে ফুলের রেণু মাখি। মেঘের ভেলায় ভেসে যখন চাঁদের হাসি খুঁজি অন্যরকম ভালোলাগায় অনেক কিছু বুঝি বিশ্বাসী এক হৃদয় নিয়ে তাঁকে শুধু ডাকি।

সম্পূর্ণ পড়ুন

আহাদ

জিনাত তামান্না আল্লাহ কেমন? রূপ কি তাহার? তৈরি কিসের তিনি? ডাকছো তুমি যারই দিকে পরিচয় দাও তাঁর শুনি! প্রশ্নের মুখে পড়লেন নবি দিলেন যখন দাওয়াত, সঠিক উত্তর জানিয়ে আল্লাহ নাজিল করলেন আয়াত। বলো আল্লাহ অদ্বিতীয় লা-শরিক এক রব, একক তিনি, রহমান যিনি সৃষ্টি তাঁরই সব! নির্ভরশীল নন তো তিনি কারো ওপরে, আমরা গোলাম সবাই চলি তাঁরই আমরে। সন্তান নেই তাঁর …

সম্পূর্ণ পড়ুন

কৃষ্ণচূড়ার বন

জাকির আবু জাফর এক পশলা বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দিলো মন ভিজলো অবাক লালের লীলা কৃষ্ণচূড়ার বন। হৃদয় কেঁচে রঙ মেখেছে রক্তলালা ফুল পল্লবিত পাতার খোঁপায় দুলছে সবুজ চুল। একটি শালিক ঠোঁট চুবিয়ে ফুলের গন্ধ চাটে ঠোঁটের ছোরায় আন›ে েেস ফুলের হৃদয় কাটে। কৃষ্ণচূড়ার শরীর যেমন হৃদয় তেমন লাল উধাও হাওয়ার আদর নিতে এলিয়ে রাখে গাল। গালের ওপর বৃষ্টি ফোঁটা মুক্তো …

সম্পূর্ণ পড়ুন

বাংলা কবিতায় বর্ষা

আযাদ আলাউদ্দীন বর্ষাকাল যেন কদম কেয়ার গন্ধে মাতানো মুগ্ধ সময়, তাইতো বাংলা সাহিত্যে বর্ষা ঋতুর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। বর্ষার চরিত্র বা সৌন্দর্যের যে বহুগামী বৈচিত্র তা অন্য পাঁচটি ঋতু থেকে একবারেই স্বতন্ত্র। বাংলা ষড়ঋতুতে বর্ষার অপরূপ দৃশ্য যেমন আমাদের মনে কুহক জাগায়, ঠিক উল্টোদিকে বিষাদও এনে দেয়। বর্ষা যেমন নতুন শিহরণে জাগরিক করে, আবার ডুবাতেও পারে তার উদারতায়। বর্ষার এই …

সম্পূর্ণ পড়ুন

আষাঢ় আকাশ ছেয়ে

খলিলুর রহমান আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে, আসে বৃষ্টির সুবাস বাতাস বেয়ে। এই পুরাতন হৃদয় আমার আজি পুলকে দুলিয়া উঠিছে আবার বাজি নূতন মেঘের ঘনিমার পানে চেয়ে। রহিয়া রহিয়া বিপুল মাঠের পরে নব তৃণদলে বাদলের ছায়া পড়ে। এসেছে এসেছে’ এই কথা বলে প্রাণ, এসেছে এসেছে’ উঠিতেছে এই গান– নয়নে এসেছে, হৃদয়ে এসেছে ধেয়ে আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে,

সম্পূর্ণ পড়ুন

বর্ষা বরণ

পলি ইসলাম আষাঢ় শ্রাবণ হলো বর্ষা মেলা আকাশের কোল জুড়ে মেঘের ভেলা। বাঙালি ছড়িয়ে দিয়েছে দিগন্তে মুক্তমনের বিহঙ্গ- ডানা। নব সৃষ্টির উল্লাসে আজ নেই যে মানা। গ্রীষ্মের অগ্নিক্ষরা দহন পরে গগনের মেঘগুলো বর্ষা হয়ে ঝরে। বর্ষার আগমনে কৃষকের মনে উল্লাস শস্যশিশুর কলকল উচ্ছ্বাস। কৃষকের স্বপ্ন চোখে নবান্ন বরণ এ যেন জীবন বাঁচার সুখের স্পন্দন। অরণ্যে অরণ্যে নতুন প্রাণের শিহরণ কৃষ্ণ …

সম্পূর্ণ পড়ুন