মো. জিল্লুর রহমান ।। সাদা মনের মানুষ পাওয়া খুব কঠিন, অধিকাংশ মানুষের মনে থাকে কুটিলতা, জটিলতা ও কালীমাপূর্ণ। উপরের চাকচিক্যময় সব কিছু সহজ মনে হলেও মন বোঝা সহজ নয়, আর মন দেখা সে তো আরও অনেক কঠিন কাজ। যারা সাদা মনের মানুষ, তাঁরা সব সময় নিজেকে লুকিয়ে রাখতে চান কাজের অন্তরালে। তাঁরা আসল নাম প্রকাশ করতে চান না। মানুষের সম্মুখেও …
সম্পূর্ণ পড়ুনইতিহাস
স্বাধীনতা সংগ্রামে সৈয়দ ইমামউদ্দিন চৌধুরী
মাহমুদ ইউসুফ পলাশির আম্র কাননে স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয় অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যগগনে। হানাদার ইউরোপীয়রা ভারতবর্ষের ভাগ্য বিধাতার আসনে অবতীর্ণ হয়। ব্রিটিশ সরকার বিজয়ের স্মারক হিসেবে ১৮৮৩ সালে পলাশিতে নির্মাণ করে মনুমেন্ট। এই স্তম্ভ ইংরেজদের নির্মিত বিজয়স্তম্ভ। তাদের বিজয়গৌরবকীর্তির পাশেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুরাকীর্তি রক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশনামা বা সাবধানবাণী। যেখানে লেখা ‘এই মনুমেন্ট আমাদের জাতীয় সম্পত্তি। একে রক্ষা করার দায়িত্ব আপনার, আমার …
সম্পূর্ণ পড়ুনআশু আকন্দের আন্দোলন
মাহমুদ ইউসুফ বাংলার শষ্যভাণ্ডার বরিশাল। ইংরেজরা দিয়েছিল এ খেতাব। বরিশালের বালাম চাউল আজও বিশ্ববিখ্যাত। সুপারি, নারিকেল, ইলিশে এ জেলা ছিলো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। বাকেরগঞ্জের বাকরখনি বা সোনারখনির লোভ ইংরেজরা সামলাতে পারেনি। উদ্বৃত্ত সম্পদ সবই লুটেপুটে খেত ব্রিটিশ ও তাদের এজেন্ট জমিদাররা। তাইতো এতদাঞ্চলের কৃষক, দিনমজুররা বার বার ফুসে ওঠেছে ইংরেজ, জমিদার, জোতদারদের বিরুদ্ধে। আশু আকন্দ এই সংগ্রামী মানুষদেরই একজন। জন্ম বরিশাল জেলার …
সম্পূর্ণ পড়ুনশের-ই-বাংলা’র স্মৃতি
টি.এম. জালাল উদ্দীন ‘শের-ই-বাংলা’ শুধু একটি খেতাবই নয়। এটি একটি আদর্শ। এটি শুধু বরিশালেরই নয় – সমগ্র বাংলার। শুধু বাংলারই-বা কেন বলি – বিশ্বের সকল আদর্শবান ব্যক্তির। কেননা, তিনি ছিলেন জাতি-ধর্ম, স্থান-কাল নির্বিশেষে সকলেরই প্রাণের মানুষ। তার চিন্তা ধ্যান-ধারণা ছিল সকলের জন্যই সমান। তাই তার এ আদর্শকে লালন করার দায়িত্ব সকল আদর্শবান ব্যক্তির। কিন্তু তার সে আদর্শ আজ উপেক্ষিত। আমি …
সম্পূর্ণ পড়ুন১২ জুলাই : বাংলাদেশের পরাধীনতা দিবস
স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ভাষা দিবস পালনের সাথে সকল নাগরিকই সংশ্লিষ্ট। এসব দিবস সম্পর্কে সবাই-ই কমবেশি অবহিত। কিন্তু স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস যেহেতু আছে, সেহেতু পরাধীনতা দিবসও থাকার কথা। কেউ কেউ বলতে পারেন সেটা আবার কী? তারিখটাও কবে? হয়ত কেউ বলবেন, ২৩ জুন পলাশি ট্রাজেডিই পরাধীনতা দিবস! কিন্তু ২৩ জুন ভারতীয় উপমহাদেশের পরাধীনতা হতে পারে, বাংলাদেশের নয়। বাংলাদেশের পরাধীনতা …
সম্পূর্ণ পড়ুনবালকি শাহের সংগ্রাম
মাহমুদ ইউসুফ বাংলাদেশের সাম্রাজ্যবাদীদের রাজনৈতিক আসন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭৫৭ সালে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি তরুণ নবাব সিরাজের কাছ থেকে সিংহাসন কেড়ে নেয়। তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করে নবাবের অমাত্যবর্গ এবং উঠতি পূঁজিপতিদের প্রধান অংশ। রবাট ক্লাইভ, ওয়াটস, ড্রেক, স্ক্রাফটন, ওয়াটসন, জব চার্ণক এর হাতে হাত মিলায় মির জাফর আলি, মিরন, ইয়ার লতিফ খান, ঘষেটি বেগম গংরা। জগৎশেঠ মহতাপচাঁদ, মহারাজা স্বরূপচাঁদ, কৃষ্ণচন্দ্র রায়, রাজা …
সম্পূর্ণ পড়ুনহিজরি থেকে বাংলা সনের জন্ম
মাহমুদ ইউসুফ ।। দিন, ক্ষণ, মাস, বছর নিয়ে জীবন পরিক্রমা। সময়ের সাথেই সম্পর্কিত শতাব্দী, সন বা সাল। জীবনের অপর নাম সময়। সময়ই মানব জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। সময় থেকেই দিনপঞ্জি, কালপঞ্জির পয়দা। পৃথিবীতে মানববসতির শুরু থেকেই সময়কালকে হিসেব করতে হচ্ছে মানুষকে। এছাড়া গত্যন্তর ছিলো না। আদি মানব নবি আদমকে সময়ের নিরিখেই ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকতে হত। জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা-প্রশাখা সম্পর্কে …
সম্পূর্ণ পড়ুনমেজর এম এ জলিলের সংগ্রাম
মাহমুদ ইউসুফ মেজর এম এ জলিল ইতিহাস নির্মাতা। দেশের ইতিহাসে যারা মানুষের মুক্তির পথ বাতলে দিয়ে গেছেন, সেই গুটিকয়েক নায়কদেরই একজন মেজর জলিল। শৃঙ্খলিত রাষ্ট্রকে মুক্ত করতে তিনি জাতিকে শিখিয়েছেন ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সংহতির মহৎ আদর্শ। তাইতো এদেশের মানুষ তাঁর কাছে চিরঋণী। আধিপত্যবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ প্রগতির অন্তরায়। মানবজাতির স্বাভাবিক জীবনের অন্তরায়ও বটে। বহিরাগত আক্রমণ, বৈশ্বিক আগ্রাসনে মানুষ মৌলিক চাহিদা পূরণেও …
সম্পূর্ণ পড়ুনআলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার ধ্বংস করেন খ্রিস্টান শাসক থিওডসিয়াস
আলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার ধ্বংস সম্পর্কে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বলেন, কথিত আছে আরবগণই আলেকজান্দ্রিয়া নগরীর প্রসিদ্ধ লাইব্রেরি পুড়িয়ে ফেলেছিল; কিন্তু সেটা মিথ্যা বলেই লোকের ধারণা। কেননা, বইপুস্তকের কদর তারাও ভালো জানত; সুতরাং ঐরূপ বর্বরোচিত কাজ নিশ্চয়ই তারা করেনি। সম্ভবত কনস্টান্টিনোপলের সম্রাট থিওডসিয়াস্ এই ধ্বংসকার্যের জন্য দায়ী। অবশ্য লাইব্রেরির এক অংশ অনেক আগে জুলিয়াস সিজারের আমলে নষ্ট করা হয়েছিল। থিওডসিয়াস ছিলেন একজন ধর্মনিষ্ঠ …
সম্পূর্ণ পড়ুনসাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের অকুতোভয় মর্দে মুজাহিদ মেজর এম এ জলিলের জীবনপরিক্রমা
১৯৪২: পারিবারিক নাম মোহাম্মদ আব্দুল জলিল। তবে মেজর এম এ জলিল হিসেবেই বিখ্যাত। জন্ম ৯ ফেব্রুয়ারি বাকেরগঞ্জ জেলার উজিরপুরে মাতুলালয়ে। উল্লেখ্য, বাকেরগঞ্জ জেলা নামটি ১৭৯৭ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ছিলো। ১৯৯৩ সালে বরিশাল বিভাগ সৃষ্টির ফলে বাকেরগঞ্জ নামটি জেলা থেকে বাদ দেয়া হয়। পিতা জোনাব আলী চৌধুরী জন্মের তিন মাস পূর্বে ইন্তেকাল করেন। মাতার নাম- রাবেয়া খাতুন। ১৯৫৯: উজিরপুর …
সম্পূর্ণ পড়ুন
Muktobuli | মুক্তবুলি Muktobuli is the most popular online blog to publish the rare news.
