বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ৮, ২০২৬

ইতিহাস

বঙ ও বাঙ জাতি

  প্রাগৈতিহাসিককালে বাংলাদেশে বাঙ জাতি বাস করত। বাঙ জাতি এখানে গড়ে তোলে এক সমৃদ্ধশালী জনপদ। প্রাচীন বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ, সোনারগাঁও, যশোর, ফরিদপুর, বিক্রমপুর ছিলো তাদের মূল আস্তানা। তবে সমতট, হরিকেল, বরেন্দ্র, পুন্ড্র, গৌড়, নবদ্বীপ, মুর্শিদাবাদ ছিলো বাঙ জাতির সীমারেখার আওতাভুক্ত। নিষাদ, কিরাত, ভেড্ডি, মঙ্গোলীয়, আলপাইন প্রভৃতি জনকওমের আবির্ভাব পরবর্তীকালের ঘটনা। আর অস্ট্রিক মূলত বাঙ-দ্রাবিড়দের আর্যপ্রদত্ত হিংসাত্মক নাম। বাঙ-দ্রাবিড় আর্য আগ্রাসন ও উপনিবেশ প্রতিরোধ …

সম্পূর্ণ পড়ুন

‘ বৃটিশ আমলে মুসলমানরা ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করে নাই’- ইহা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রচারণা

মাহমুদ ইউসুফ পাঠ্যপুস্তকে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা দেয়া হয়, ব্রিটিশ আমলে মুসলমানরা ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করেনি। সরকারের প্রতি মুসলমানদের এতই বিদ্বেষ ছিলো যে, তারা ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিতদের কাফের ফতুয়া দিতেও দ্বিধা করেনি। আধুনিক শিক্ষাকে মুসলমানরা কুফরি ও ইসলাম বিরোধী শিক্ষা মনে করত। ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ না করার জন্যই মুসলমানরা আর্থ-সামাজিক ও রাষ্ট্রিক দিক থেকে দুর্দশার শিকার হয়’। এইসব তথ্য মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ। প্রকৃত …

সম্পূর্ণ পড়ুন

ভাষা আন্দোলনে বরিশাল

আযাদ আলাউদ্দীন ।। মায়ের ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজধানী ঢাকার রাজপথে যে উত্তাল আন্দোলন সংগ্রাম শুরু হয়েছিল তার ঢেউ খুব সহজেই এসে যায় বরিশালে। কারণ- রাষ্ট্রভাষার জন্য ঘটিত কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ছিলেন বরিশালের কৃতি সন্তান কাজী গোলাম মাহবুব। এছাড়াও ওই কমিটিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ভোলার শামসুল আলম, বরিশালের আব্দুর রহমান চৌধুরী (বিচারপতি), আখতার উদ্দিন আহমেদ, এম. ডব্লিউ লকিতুল্লাহ, অনিল …

সম্পূর্ণ পড়ুন

প্রাচীন গঙ্গারিডি রাষ্ট্র : বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস

Mahmud Eusuf ইসায়িপূর্ব তৃতীয় শতক। গাঙ্গেয় অববাহিকার এক পরাক্রমশালী রাষ্ট্র। বঙ্গোপসাগরীয় উপকূল জুড়ে এ স্বাধীন রাষ্ট্রটির অবস্থান। আযাদি চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দোর্দণ্ড প্রতাপে রাজত্ব করত এক জাতি; যাদের ভয়ে আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট সৈন্যসামন্ত গুটিয়ে পালিয়েছিলেন ভারতবর্ষ ও পূর্ব এশিয়া জয়ের নেশা থেকে। সেই ঐতিহাসিক সমৃদ্ধশালী সুপারপাওয়ার রাষ্ট্রটির নাম ছিলো গঙ্গারিডি। গঙ্গারিডিদের সুনাম সুখ্যাতি তখন তুঙ্গে। সমসাময়িক গ্রিক ও লাতিন পর্যটক, …

সম্পূর্ণ পড়ুন

কুলকাঠি ট্রাজেডি

  বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে বর্তমান বাংলাদেশের ঝালকাঠি জেলায় সংগঠিত হয় দানবীয় হত্যাযজ্ঞ। ১৯২৭ সালের ২রা মার্চ গুর্খা পুলিশের গুলিতে নিহত হয় ১৯ জন মুসলিম। কুলকাঠি মসজিদের নিকট সমাহিত শহিদদের স্মৃতিফলকে তাদের নাম লিপিবদ্ধ আছে। নিহতরা হলেন: বাবরউল্লাহ হাওলাদার, আক্কেল গাজি, নইম উদ্দিন হাওলাদার, ইয়াছিন আকন, আতা উদ্দিন হাওলাদার, হাসান উল্লাহ হাওলাদার, মোসলেম উদ্দিন, মোহন মোল্লা, সিরাজ উদ্দিন, সুন্দর খাঁ, …

সম্পূর্ণ পড়ুন

কে হিরো আর কে ভিলেন

  ইসলাম ও ধর্মনিরপেক্ষতার কাজিয়া চিরন্তন। একই সূত্রে মুসলিম ও ধর্মনিরপেক্ষবাদীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাতও অনিবার্য। সেটা সমাজে হোক, রাষ্ট্রে হোক, জিহাদের ক্ষেত্রে হোক, যুদ্ধ ময়দানে হোক, বুদ্ধিবৃত্তিক হোক, কলাকৌশলগত হোক আর কুটনৈতিক হোক। দুইয়ের মিলন অসম্ভব। দুইয়ের অবস্থান দুই মেরুতে। একজন তাওহিদবাদী বা ডানপন্থী, আরেকজন ভোগবাদী বা বামপন্থী। একজন আল্লাহতে বিশ্বাসী আরেকজন নিরীশ^রবাদী। একজনের জীবন আখিরাতভিত্তিক, আরেকজন দুনিয়াপুজারি, একজন অহির …

সম্পূর্ণ পড়ুন

ক্ষুদ্রকাঠি-হোসেনপুর ট্রাজেডি : ইতিহাসের এক নির্মম গণহত্যা

  সত্য মিথ্যা, হক বাতিলের দ্বন্দ্ব চিরন্তন। সুন্দর অসুন্দর, সভ্য অসভ্য, উচিত অনুচিত, খাঁটি ভেজাল, ভালো মন্দ কখনো একত্র হতে পারেনা। উভয়ের পরস্পর বিপরীতমুখী ধারা সমাজ সভ্যতার শুরু থেকে বিদ্যমান। মধ্যযুগের বরিশালের মাটিতেও আমরা তাই দেখতে পাই অন্ধকার আলোককে সহ্য করতে পারছে না। অন্ধকার পৌত্তলিক বা সেকুলারদের সাথে আলোকরশ্মি ইমানদারদের সংঘাত সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। বাকলা চন্দ্রদ্বীপের রাজধানী ক্ষুদ্রকাঠি-হোসেনপুরে ১৫৯৭-১৫৯৮ …

সম্পূর্ণ পড়ুন

বখতিয়ার খলজি কোনোদিন নালন্দায় যাননি; তাই বখতিয়ার কর্তৃক নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসের প্রশ্নই ওঠে না

  নালন্দা মহাবিহার পৃথিবীর বুকে গড়ে ওঠা সর্বপ্রথম আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও একটি প্রাচীন উচ্চ শিক্ষাকেন্দ্র। প্রতিষ্ঠানটি ভারতের বিহারের পাটনা থেকে ৮৮ কি.মি. দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। এটি মূলত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের গড়ে তোলা একটি প্রতিষ্ঠান যা পঞ্চম থেকে ষষ্ঠ খ্রিষ্টীয় শতাব্দির মধ্যে নির্মিত। এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক সময়কাল নিয়ে কিছুটা মতভেদ রয়েছে। বেশির ভাগ ঐতিহাসিকই একমত যে রাজা কুমারগুপ্তের সময়ে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের …

সম্পূর্ণ পড়ুন

১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ, উপনিবেশবাদ এবং হাবিলদার রজব আলি

মাহমুদ ইউসুফ সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজরা ১৯০ বছর প্রত্যেক্ষভাবে বাংলাদেশসহ ভারতবর্ষকে শোষন করেছে, লুটপাট করেছে, পাচার করেছে। বাঙালি আযাদি পিয়াসীদের হত্যা করে, খুন করে, জেল জুলুম নির্যাতন করে, নির্বাসন দিয়ে, ফাঁসি দিয়ে বিজয়োৎসব পালন করেছে। বৃটিশ সরকার ও তাদের দালাল হিন্দু জমিদাররা। তারা মুসলমানদের জীবন ও সম্পদ হরণের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। এ প্রসঙ্গে আযাদ ভারতের প্রথম প্রধান প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু ১৯৩২ …

সম্পূর্ণ পড়ুন

মহানায়ক বখতিয়ার : হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বীর

কেবল বাহুবল বা অস্ত্রবল বা জনবল দিয়ে দেশ রক্ষা হয় না। দেশ রক্ষার জন্য দরকার জাতীয় ঐক্য এবং নৈতিক মনোবল। দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী, প্রশাসনযন্ত্র এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমন্বয় সাধন যেকোনো রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখার মৌলিক শর্ত। এর সাথে দরকার নৈতিকতা, আদর্শ, দৃঢ় চেতনা, সুশিক্ষা, সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বেং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস। ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় এগারো ও বারো …

সম্পূর্ণ পড়ুন